ঢাকা, শনিবার, ২ ভাদ্র ১৪২৫, ১৮ আগস্ট ২০১৮
Risingbd
শোকাবহ অগাস্ট
সর্বশেষ:

দাঁড়িয়ে আছে শ্বেতশুভ্র সাগরমাতা

(কাঞ্চনজঙ্ঘার সোনালী আলোয়: পঞ্চম পর্ব)

ইকরামুল হাসান শাকিল:
 পানি আর চকলেট খেয়ে আবার উপরের দিকে হাঁটা শুরু করলাম। কিছু সময় হাঁটার পর আমরা চলে এলাম ১২,৬৬৫ ফুট উচ্চতায় এভারেস্ট ভিউ হোটেলের কাছে।

দুধকোশি নদীর শীতল বাঁকে

(কাঞ্চনজঙ্ঘার সোনালী আলোয়: চতুর্থ পর্ব)

ইকরামুল হাসান শাকিল: এখান থেকে উপর দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম একত্রে দুটি ঝুলন্ত ব্রিজ। ব্রিজ দুটি আমাদের চেয়ে অনেক উঁচুতে।

বিশ্বের বিপজ্জনক এয়ারপোর্টে অবতরণ

(কাঞ্চনজঙ্ঘার সোনালী আলোয়: ৩য় পর্ব)

ইকরামুল হাসান শাকিল: ভোর ৫টা। ঘুম ভরা চোখে উঠে তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিলাম। ছ’টার সময় দাকিপা গাড়ি নিয়ে চলে এলেন।

আড়িয়াল বিলে অনাবিল প্রশান্তির পরশ

গাজী মুনছুর আজিজ: নৌকা নিয়ে আড়িয়াল বিলের মাঝে যখন আসি, তখন মধ্যদুপুর। সূর্যের তেজও বেশ। বিলের স্বচ্ছ পানি দেখে লোভও সামলাতে পারিনি।

থামেলের গলি পথে...

(কাঞ্চনজঙ্ঘার সোনালী আলোয়: ২য় পর্ব)

ইকরামুল হাসান শাকিল: থামেল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু শহরের একটি অংশ। এখানেই অধিকাংশ পর্যটকের আবাসস্থল।

কাঞ্চনজঙ্ঘার সোনালী আলোয়

ইকরামুল হাসান শাকিল: সোয়া এগারোটার মধ্যে আমরা বিমান বন্দরে পৌঁছালাম। ভেতরে ঢুকে ইমিগ্রেশন সেরে অপেক্ষা করছি।

সাবধান! রাজাধিরাজের আগমন

(ভিয়েতনামের পথে: ৩৬তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: ওয়াট চাইওয়ামানারাম দর্শন শেষে টিয়াপাখি টুকটুক এগিয়ে চলছে নতুন গন্তব্যে। আবারও নদীর কিনার ধরে পথ।

জঙ্গল ট্রেকিং

ইকরামুল হাসান শাকিল: প্রকৃতির খুব কাছে যাওয়ার জন্য জঙ্গল ট্রেকিং হলো সবচেয়ে সহজ উপায়। এখানে প্রকৃতির প্রকৃত সৌন্দর্য অনুভব করা এবং চেনা-অচেনা ও বিরল উদ্ভিদ, প্রাণীর মধ্যে বিস্ময়কর জীবনযাপন দেখার সুযোগ মেলে।

পর্বতের দেশে পর্বতের জাদুঘরে

গাজী মুনছুর আজিজ: পর্বতের জাদুঘরে ঢুকেই একটু অন্যরকম অনূভূতি হলো। মনে হচ্ছে জাদুঘরের দেয়ালে ঝুলে থাকা বরফমাখা পর্বতের ছবিগুলো থেকে শীতল ঠান্ডা এসে গায়ে লাগছে।

আরাম করে বসতেই উড়াল দিলো টিয়া পাখি

(ভিয়েতনামের পথে: ৩৫তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: সারা রাত আরামদায়ক বাস যাত্রার পর ব্যাংককে এসে যানজটে আটকে থাকতে হলো, যা ছিল একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। দশ কি এগারো দিন পর ফিরে এলাম মো চিৎ-এর চাতুচক বাস টার্মিনালে। মাত্র কয়টি দিন।

বিদেশে বিপজ্জনক ট্যাক্সিচালকের পাল্লায়

(ভিয়েতনামের পথে: ৩৪তম পর্ব)
ফেরদৌস জামান: ইতিহাসের সেই নতুন নগরী চিয়াং মাই-এ আজকের দিনই শেষ দিন। কোথাও এক টানা তিন-চার দিন অবস্থান করলে সেই জায়গা বিশেষ করে থাকার ঘরের প্রতি এক ধরনের মায়া জন্মে যায়।

শরীরজুড়ে তার তারের রাজ্য

(ভিয়েতনামের পথে : ৩৩তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: সানডে নাইট বাজার উপলক্ষে থাপায়া গেট এলাকা আজ বেশি জমজমাট। ফ্রাইডে এবং স্যাটারডে বাজার দুটি গেট এলাকা থেকে সামান্য দূরবর্তী হওয়ায় এখানে তার প্রভাব তেমন লক্ষণীয় হয় না।

পুলিশ স্টেশনে একজন পুলিশেরও দেখা মিলল না

(ভিয়েতনামের পথে : ৩২তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান : সেভেন-ইলেভেন থেকে কফি এনে রেখেছিলাম। সকালের নাস্তার পর নিচ তলার ডাইনিং টেবিলে বসে আরাম করে কফি পান করছি।

চিয়াং মাইয়ের রাতের বাজার

(ভিয়েতনামের পথে : ৩১তম পর্ব)
ফেরদৌস জামান : আমার এই ভ্রমণ পরিকল্পনা প্রায় ছয়-সাত মাস আগে থেকে করা। ভ্রমণ শুরুর এক মাস আগেও তালিকায় চিয়াং মাই ছিল না।

প্রচণ্ড গরমে গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের শীতল জলে

(ভিয়েতনামের পথে : ৩০তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: রাস্তায় বের হতেই টুকটুক এসে হাজির। গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন যাতায়াত ভাড়া শুনে মাথায় হাত! আপাতত হাঁটছি। পরপর আরও দুইটি টুকটুক নিয়ে যেতে চাইল।